English Version

প্রেম করে বিয়ে, তালাক দিয়ে পুনরায় ধর্ষণ!

নিউজ ডেস্ক::নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে আলীম মাদরাসার দশম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রীকে প্রেম করে বিয়ে করার পর তালাক দিয়ে পুনরায় ধর্ষণ করার অভিযোগে সাইমন হোসেন ওরফে রানা নামে এক কলেজছাত্রের নামে থানায় একটি মামলা হয়েছে।

সোমবার রাতে ওই ছাত্রীটি নিজেই বাদী হয়ে মোহনগঞ্জ পৌর শহরের রাউৎপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছানাউল্লাহ কলেজ পড়ুয়া ছেলে সাইমন হোসেন ওরফে রানাকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মোহনগঞ্জ থানায় এ মামলাটি দায়ের করে। অভিযুক্ত সাইমন নেত্রকোনা সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

পুলিশ ও ধর্ষণের শিকার ছাত্রীটির পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে কলেজ সাইমন ওরফে রানা। পরে তারা ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। কিন্তু ছেলের পরিবার এ বিয়ে কিছুতেই মেনে নিতে না পেরে তাদের দুজনকেই বাড়ি থেকে বের করে দেয়। বাড়ি থেকে বেড়িয়ে গিয়ে তারা দুজন এক সঙ্গে বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে কয়েক মাস কাটানোর পর সাইমন তার বাবা ছানাউল্লার কথা মতো স্ত্রীকে তালাক দেয়। গত বছরের ১১ এপ্রিল মেয়েটিকে তালাক দিয়ে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।

এ নিয়ে সামাজিকভাবে কয়েকবার দেন-দরবার করেও বিষয়টির স্থায়ী কোনো সমাধান করা সম্ভব হয়নি। তবে মেয়েটির বিয়ের বয়স না হওয়ায় স্থানীয় কোনো কাজীর দ্বারা রেজিস্ট্রির মাধ্যমে তাদের বিয়েটি পড়ানো সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় গত শনিবার রাতে রানা ওই মেয়েটিকে পুনরায় বিয়ে করার কথা বলে সাইমন মেয়েটিকে ধর্ষণ করে পালিয়ে আসে। পরে এ ঘটনায় সোমবার রাতে মেয়েটিকে নিয়ে তার মা থানা গিয়ে সাইমনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মোহনগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মোহনগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল মোতালেব বলেন, মামলা দায়েরের পর মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মঙ্গলবার সকালে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ধর্ষককেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

 

সর্বশেষ সংবাদ