English Version

ক্ষতিপূরণ না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের অসন্তোষসুরমা সেতু নির্মাণ কাজে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ সওজের

ছাতক প্রতিনিধি::ছাতকে সুরমা নদীর উপর নির্মানাধীন সেতুর এপ্রোচ ও সংযোগ সড়কের জন্য অধিগ্রহনকৃত ভুমির প্রকৃত মুল্য নির্ধারন ও পরিশোধ না করে কাজ চলমান রাখায় এলাকার স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ ভুমি মালিকদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। এদিকে, সেতু নির্মাণ কাজে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) কর্তৃপক্ষ।

শনিবার রাতে ছাতক সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষে থানায় এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ওই অভিযোগে পৌরসভার বাঁশখলা ও ভাজনামহল আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ৫জনের নাম উল্লেখ করে করা হয়।

লিখিত ওই অভিযোগে বলা হয়, ছাতকে সুরমা নদীর তীরে নির্মাণাধীন গোবিন্দগঞ্জ-ছাতক-দোয়ারাবাজার সড়কের সেতু নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। সেতুর সংযোগ সড়কের জন্য জেলা প্রশাসক সুনামগঞ্জ কর্তৃক ইতিমধ্যেই ভুমি অধিগ্রহণ কাজ সম্পন্ন করে সড়ক বিভাগ সুনামগঞ্জ বরাবরে হস্তান্তর করা হয়েছে।

অধিগ্রহণকৃত ভুমিতে এলাকার স্থানীয় একটি পক্ষ কাজে বাঁধা প্রদান করায় উন্নয়ন কাজ বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। বাঁধা প্রদানকারী পক্ষ ভুমির ক্ষতিপূরনের টাকা না পাওয়ায় কাজে বাঁধা দিচ্ছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভুমি মালিকদের বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করেই সওজ এবং নিয়োজিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন অনেকটা বল প্রয়োগ করেই এপ্রোচ ও সংযোগ সড়কের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ছাতক সড়ক উপ-বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রমজান আলী বলেন, ক্ষতিপূরনের টাকা প্রদানের বিষয়ে সওজ কর্তৃপক্ষের কোন এখতিয়ার নেই। ক্ষতিপূরণের টাকা জেলা প্রশাসক কর্তৃক সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। কাজে বাঁধা প্রদান করলে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ সম্পাদন করা সম্ভব নয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম কবির বলেন, সরকারী উন্নয়ন কাজে বাঁধা দেওয়া হয়ে থাকলে এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

সর্বশেষ সংবাদ