English Version

বানিয়াচংয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা

বানিয়াচং প্রতিনিধি::‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ, সময় এখন আমাদের সময় এখন বাংলাদেশের’ এই শ্লোগন নিয়ে বানিয়াচংয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা করেছে বানিয়াচং উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (১১জানুয়ারি) সকাল ১১ঘটিকায় উপজেলা পরিষদ মাঠে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শোভাযাত্রাটি উপজেলা পরিষদের মাঠ থেকে শুরু হয়ে বড়বাজারের গুরুত্বপুর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই জায়গায় এসে শেষ হয়।শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-২ বানিয়াচং আজমিরীগঞ্জ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী, পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আমীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা আক্তার, সহাকারি কমিশনার (ভূমি) মতিউর রহমান খান ও বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার সামন্ত।

পরে বঙ্গবন্ধুর জীবন ভিত্তিক স্থিরচিত্র প্রদর্শনী ‘বঙ্গবন্ধুর উন্নয়ন দর্শন’ শীর্ষক আলোচনা, দুপুরে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহনে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ শীর্ষক’ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান এমপি বলেন, দীর্ঘ ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকার পর ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। তিনি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা। তার অকুতোভয় নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে চুড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছিল বাঙালি জাতি। পরাজিত পাকিস্তানি শাসকরা বঙ্গবন্ধুকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে বাধ্য হয়। তার মুক্তির মধ্য দিয়েই পরিপুর্ণ বিজয় অর্জন করে বাঙালি জাতি।

 

তিনি আরো বলেন, ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত বছরব্যাপী মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালন করবে সরকার। সরকার এই বছরকে ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে ঘোষনা করেছে।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপজেলা চেয়ারম্যা আবুল কাশেম চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নের জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, তথ্য-প্রযুক্তি ও নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য বিশ্বজুড়ে রোল মডেল হিসেব বিবেচিত হয়েছেন।

 

আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্টানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও নানা শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

সর্বশেষ সংবাদ