English Version

কাশ্মীরে ঢুকতে দেওয়া হলো না রাহুল গান্ধীকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: কাশ্মীর পরিস্থিতি স্বচোক্ষে দেখতে বিরোধীদলীয় ১১ জন শীর্ষ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী শ্রীনগর বিমানবন্দরে পৌঁছালে, তাদের সেখান থেকেই দিল্লিতে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারি নিষেধ উপেক্ষা করে শনিবার জম্মু ও কাশ্মীর রওনা হয়েছিলেন তারা।

এর আগে, রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী দলীয় নেতারা কাশ্মীর পরিস্থিতি দেখার জন্য সেখানে সফরের ঘোষণা দেন। সফরকারী দলে কংগ্রেসের প্রতিনিধি হিসেবে রাহুল গান্ধী ছাড়াও রাজ্যসভায় দলটির নেতা গুলাম নবী আজাদ ও আনন্দ শর্মার মতো শীর্ষ নেতারাও ছিলেন।

বিরোধী দলের এই গ্রুপে ছিলেন সিপিআই-এমের সীতারাম ইয়েচুরি, সিপিআইয়ের ডি রাজা, ডিএমকের তিরুচি শিবা, আরজেডির মনোজ ঝা, এনসিপির দিনেশ ত্রিবেদীসহ অনেকে। এর আগে, গুলাম নবী আজাদকে কাশ্মীর যেতে না দিয়ে জম্মু বিমানবন্দর থেকে জোর করে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক নেতাকে উপত্যকা এলাকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। জম্মু-কাশ্মীরের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগ রাজনৈতিক নেতাদের সেখানে না যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরানোয় বিঘ্ন ঘটতে পারে এই আশঙ্কায় কাশ্মীরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

এর আগে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত ৫ আগস্ট জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে রাজ্যটিকে কেন্দ্রশাসিত দুইটি অঞ্চলে ভাগ করে। এরপর থেকেই সেখানে বিশেষ করে রাজ্যের সবচেয়ে বড় নগরী শ্রীনগরে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং নানা জায়গায় প্রতিবাদ-বিক্ষোভের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর শ্রীনগর উপকণ্ঠের সোউরায় শত শত বিক্ষোভকারী সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করে বলে জানায় বিবিসি। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের বাধা দিলে তারা পুলিশের দিকে পাথর নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করলে অন্তত দুই বিক্ষোভকারী আহত হন।

এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক নেতাদের কাশ্মীর সফর করা উচিত হবে না বলে এক টুইটে পরামর্শ দিয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীর ইনফরমেশন অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন অধিদপ্তর।

 

সর্বশেষ সংবাদ