English Version

শুধু লার্ভা নয়, এডিস মশাও রয়েছে সিলেটে!

নিউজ ডেস্ক:: নগরীর দুটি এলাকায় এডিস মশার লার্ভার সন্ধান মিলেছে। ২৭টি ওয়ার্ডে জমে থাকা পানির নমুনা সংগ্রহ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে। পরীক্ষার প্রথম ধাপে নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ডের কদমতলীতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গিয়েছিলো আগেই। এবার নগরীর চৌহাট্টার শহীদ ডা. শামসুদ্দিন হাসপাতাল এলাকায় এডিস মশা ও এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গিয়েছে।

সিলেটের সিভিল সার্জন নগরীর দুটি স্থানে লার্ভার প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শুধুমাত্র এডিস মশার লার্ভা নয় এডিস মশাও পাওয়া গেছে। এডিস মশার এই বংশবৃদ্ধি অবশ্যই বিপদজ্জনক। তাই এডিস মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করতে হবে। তা না হলে এই রোগ বৃহতাকারে ছড়িয়ে পরার সম্ভাবনা রয়েছে।

সিভিল সার্জন হিমাংশু লাল রায় বলেন, এডিস মশার বংশবৃদ্ধি বিপদজনক হওয়াতে এর উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন সচেতনতা। তিনি জানান, নগরীর কয়েকটি এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহের পর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কীটতত্ব বিভাগে তা পরীক্ষা করা হয়। এতে দুটি এলাকায় এডিসের লার্ভার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। তবে নতুন করে আরো কয়েকটি এলাকার নমুনা পরীক্ষা হবে।

তিনি বলেন, টার্মিনাল এলাকায় অসংখ্য গাড়ি গ্যারেজ এবং টায়ার-টিউবের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যে কারণে পরিত্যক্ত টায়ার-টিউবে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশ বিস্তার করেছে। তবে ইতোমধ্যে সিটি কর্পোরেশন থেকে ব্যবসায়ীদের তা সরিয়ে দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযানও চলমান আছে।

তিনি জনসাধারণকে ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে বাসা-বাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এডিস মশার আবাসস্থল ধ্বংস করতে সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দেন। সব মিলিয়ে সিলেট জেলায় ২২৫ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ওসমানী হাসপাতালে ১৪৯ জন এবং বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে ৭৬ জন চিকিৎসা নিয়েছেন।

 

সর্বশেষ সংবাদ