English Version

চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে গুনে গুনে ঘুষ নিলেন প্রধান শিক্ষক

নিউজ ডেস্ক:: স্কুলের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে গুনে গুনে টাকা বুঝে নিচ্ছেন শহিদুল ইসলাম। তিনি চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার বিষ্ণপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। একই সাথে চুয়াডাঙ্গা শহরের ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যও তিনি।

এ বিদ্যালয়ে নিয়োগের কথা বলেই ম্যানেজিং কমিটির কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম ও সদস্য শহিদুল ইসলাম চাকরিপ্রার্থীর বাড়িতে গিয়ে ৭ লাখ টাকা গুনে এনেছেন। চাকরিপ্রার্থী জাবিউল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা শহরের বাগানপাড়া এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।

জাবিউল ইসলাম জানান, সম্প্রতি স্থানীয় পত্রিকায় ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে আবেদন করি। চাকরি দেওয়ার কথা বলে আমার কাছে ৭ লাখ টাকা দাবি করেন ম্যানেজিং কমিটির কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম ও সদস্য শহিদুল ইসলাম। চার দফায় তারা আমার কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা বুঝে নেন। গত ১৮ মে বিদ্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আমি অংশগ্রহণ করি।

এ অভিযোগে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের নিকট অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী জাবিউল ইসলাম ইসলাম। ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা বলেন, নিয়োগের বিষয়ে কারো সাথে টাকা লেনদেনের বিষয়টি আমার জানা নেই।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য শহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ম্যানেজিং কমিটির কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলামের ভাষ্য, অভিযোগকারী চাকরি পাওয়ার জন্য আবেদন করে। কোনো আবেদনকারীর সাথে নিয়োগ বিষয়ে আমার কোনো কথা হয়নি। আমি ও শহিদুল ইসলাম যৌথভাবে সাত লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছি অভিযোগটি মিথ্যা।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস জানান, চাকরি দেওয়ার কথা বলে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে তদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

সর্বশেষ সংবাদ